Header Ads

Header ADS

পড়াশুনায় মনোযোগ বাড়ানো ৭ টি উপায়

পড়াশুনায় মনোযোগ বাড়ানো ৭ টি উপায়,মনোযোগ বাড়ানোর উপায়,মনোযোগ বাড়ানোর বৈঙ্গানিক ৭ টি উপায়,মনোযোগ বাড়ানোর ৬ টি উপায়,পড়াশোনায় মনোযোগ আনার উপায়,পড়াশোনায় মনোযোগ বৃদ্ধির উপায়,মনোযোগ বাড়ানোর সেরা উপায়,ইবাদতে মনোযোগ বাড়ানোর উপায়,মনোযোগ বাড়ানোর ১১ টি উপায়,মনোযোগ বাড়ানোর দারুণ ১০ টি অ্যাপ,কিভাবে লেখাপড়ায় মনোযোগ বাড়ানো যায়,পড়াশোনায় মনোযোগ,কিভাবে মনোযোগ বাড়ানো যায়,লেখাপড়ায় মনোযোগী হওয়ার উপায়,পড়ালেখায় মনোযোগী হওয়ার উপায়,পড়ালেখায় মনোযোগী হওয়ার সহজ উপায়,মনোযোগী হওয়ার উপায়,মনোযোগ বাড়াতে পারে এমন অ্যাপ,পড়াশোনায় ভালো করার উপায়
পড়াশুনায় মনোযোগ বাড়ানো ৭ টি উপায়.webp


পড়াশুনায় মনোযোগ বাড়ানো ৭ টি উপায়। আমরা যখন পড়তে বসি ,তখন আমাদের এনার্জি লেভেল হাই থাকে। তখন আমরা চিন্তা করি প্রত্যেকদিন ৬-৮ ঘণ্টা  করে পড়বো। একদিনেই অর্ধেক সিলেবাস শেষ করে ফেলবো। আর ৩ দিনে ত পুরো বই শেষ করে দেব। এই ভেবে পড়তে বসার ১০ -১৫ মিনিট পর  এনার্জি লেভেল ১০০% থেকে ১০% চোলে আসে। আমরা ভাবি আজকে থাক খুব ঘুম পাচ্ছে। PUBG টা একটু খেলে নিই। আরে ফেইসবুক এ কতজন আমার প্রোফাইল এ লাইক দিলো দেখে আসি। বাহ্ হোয়াটস্যাপ এর ভিডিও টা কত সুন্দর সবাইকে সেন্ড করে দেই। এমন ভাবতে ভাবতে আমাদের সময় টা চলে যাই ঠিকই কিন্ত পড়া আর হয়ে উঠে না।

তাই আপনাদের উন্নতির জন্য আমি এমন কিছু STUDY TECHNIQUE আনছি যেটা প্রয়োগ করলে পড়াশোনাটা আপনার কাছে মজার খেলা মনে হবে। আপনি খুব সহজেই আপনার টার্গেট টা পূরণ করতে পারবেন। তবে চলুন দেরি না করে শুরু করা যাক।

১. মোবাইলই  কে বিদায় জানান 

যখন আমরা পড়তে বসব তখন ফোনটাকে চোখের সামনে থেকে সরিয়ে রাখেন, আর সেটা না হলে সুইচ অফ করে রাখেন। তারপর একটা রুটিন করে পড়া শুরু করেন। তারপর পড়া শুরুর প্রথম দিন এ সময়টা কে' একটু কম রাখেন। যেমন ধরুন : ২০ মিনিট পড়ার পর ২০ মিনিট বিরতি নিন। আবার ২০ মিনিট পড়ার পর ২০ মিনিট বিরতি নিন। প্রথমদিনে ৩-৪ ঘন্টা সময় নিন তার ভিতর ২ ঘন্টা পড়া হবে বাকি সময় টুকু বিরতি নিন। কিন্তু ভুল করেও এই বিরতি নেবার সময় ফোন টা হাতে নেবেন না। তারপরের দিন বিরতির  পরিমান কিছুটা কমান। আপনার পড়ার সময় অবশ্যই বড় করবেন আগে শুরু তো করেন। "THINK BIG BUT START SMALL"আর এভাবে চলতে থাকলে আপনার পড়ার প্রতি অভ্যাস তৈরি হয়ে যাবে। 

২.যে আমরা কখন পড়বো 

আমাদের সব STUDENT এর শরীর ও মস্তিস্ক আলাদা আলাদা হয়। তাই আমাদের নিজেদের বুজে নিতে হবে কখন পড়তে বসলে আমাদের পড়ায়   মন বসবে। কেউ হয়ত সকালে এবং কেউ হয়ত সন্ধ্যায় এবং কেউ হয়ত রাতে পড়তে পছন্দ করে। তাই আপনাকে খুঁজে নিতে হবে আপনার সঠিক সময়। এবং সে সময় অনুসারে আপনাকে পড়তে হবে। 

৩.বেড বর্জন করতে হবে 

হ্যা আপনি ঠিকই শুনেছেন বিছানায় বসে পড়াশুনা করাটা একদম ঠিক নাই। কারণ বিছানায় বসে পড়তে বসলে  শুয়ে পড়তে ইচ্ছে করে এবং কিছু সময় পরে আমাদের চোখে ঘুম চলে আসে। এ কারণে বিছানায় পড়াশুনা করার থেকে টেবিল এ পড়াশুনা করা টা ভালো। আবার এই পড়তে বসার সময় কি কি করে থাকি। যেমন ধরুন :আমরা পড়তে বসার সময় ভাবি আরে কলম টা না নিয়েই পড়তে বসলাম,  ধুর আমার স্কেল টা যে কোথায়  খুঁজেও পাচ্ছিনা, নোটবুকটা বা কোথায় রাখলাম। আর এভাবে বারবার টেবিল থেকে  উঠলে পড়ার প্রতি মনোযোগ টা নষ্ট হয়ে যাই। তাই যখন পড়তে বসবেন তখন পড়ার সামগ্রী নিয়ে টেবিল  এ পড়তে বসবেন। এতে আপনার পড়ার প্রতি মনোযোগ বৃদ্দি পাবে।

৪.মানসিক দুঃচিন্তা বর্জন করুন 

ইস পরীক্ষার আর মাত্র ৭ দিন বাকি আসে। কোন সিলেবাস আমার শেষ হলোনা। এই বছর আমি নির্ঘাত ফেল করব। কিভাবে যে আমি পাড়ার লোকের সামনে মুখ দেখাবো। আমার বন্ধুরা অনেক ভালো রেজাল্ট করবে। পড়তে বসে যদি এগুলা আপনার মাথায় ঘুরতে থাকে তাহলে মাথা থেকে এগুলাকে একেবারে সরিয়ে দেন। পড়ার টেবিল এ নিজের ব্রেন কে সবসময় ফ্রেশ রাখুন। এ সকল চিন্তা গুলা আপনার পড়ার সময়গুলোকে নষ্ট করে দেয়। তাই সময় গুলোকে নষ্ট না করে পড়ার প্রতি মনোযোগ দেন। তাহলে আপনার লাভ হবে। 

৫. GAMEFICATION

কি নাম টা শুনে  হচ্ছো তাইনা আগে কখনো শোনোনাই  তাইনা? আমি ব্যাখ্যা করে বুজাই দিচ্ছি। 
GAMEFICATION হচ্ছে STUDY   কে  GAME  এ CONVERT  করা। শুনে খুব অদ্ভুত মনে হচ্ছে তাইনা। আপনার স্টাডি কে  গেম এর মত আলাদা আলাদা লেভেল এ কনভার্ট করে নিতে হবে। তারপর সেই লেভেল গুলা  শেষ করতে হবে। যেমন ধরুন : আপনি চিন্তা করলেন আজকে ২ তা অধ্যায় শেষ করবেন। এটা হল গেম এর প্রথম লেভেল। এভাবে আপনি আপনার সিলেবাস খুব সহজে শেষ করতে পারবেন। ইচ্ছে করলে আপনি আপনার সিলেবাস কে বিভিন্ন লেভেল এ ভাগ করে নিতে পারবেন। আপনি এখন ভাবতে পারেন এটা তে মজার কি হল। 

তাহলে আপনি ভাবুন তো যখন আমরা কোনো গেম ডাউনলোড করি তখন সেটা সম্পর্কে আমাদের কোনো ধারণা থাকে না। তাই প্রথম অবস্থায় তেমন কোনো মজা পাইনা। কিন্তু যখন আমরা খেলতে শুরু করি তখন আমরা মজা পেতে থাকি। এটায় হল GAMIFICATION TECHNIQUE

যখন আপনি এই পদ্ধতি অনুসরণ করে সিলেবাস শেষ করবেন তখন আপনি এটার প্রকৃত মজা বুজতে পারবেন। আপনার মনটাও ভালো লাগবে। গেম  খেললে যেমন  পুরস্কার পান সেভাবে পড়া শেষ করার পর আপনি নিজেকে নিজে পুরস্কার দিতে পারেন। যেমন : একটা আইসক্রিম খেতে পারেন। একটু  বার্গার খেতে পারেন। এভাবে আপনি আপনার পড়ায় মনোযোগ দিতে পারেন। 


৬. মুখে উচ্চারণ করে পড়

মনে মনে পড়ার অভ্যাস ত্যাগ করো। মনে মনে পড়ার সময় তুমি কখন যে অন্য চিন্তার সাগরে ডুব দেবে তা টেরও পাবে না। কিন্তু মুখে উচ্চারণ করে বা শব্দ করে পড়লে অন্য চিন্তা করামাত্রই তোমার পড়ার শব্দ থেমে যাবে, ফলে সহজেই বুঝতে পারবে কখন তুমি বিচ্ছিন্ন হচ্ছো।

৭.কান বন্ধ করে পড়

শুনতে আজব শোনালেও প্রকৃতপক্ষে এটি খুবই কার্যকরী। পড়ার সময় অনেক অপ্রয়োজনীয় শব্দ আমাদের শুনতে হয়। হোক সেটা সিলিং ফ্যান ঘোরা বা ঘড়ির টিকটিক করা সামান্য শব্দ থেকে শুরু করে আরও কত কী!


আজ আর না প্রত্যেকের সাফল্য কামনা করি। সবাই মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। 
















No comments

Powered by Blogger.